কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল? কিভাবে?
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল- তা নির্ভর করে
সেই ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি কি কাজ বা সেবা বিক্রি করছেন তার উপর। আপনার ওয়েবসাইটের
কাজ ও সেবা গুলো যদি অসামাজিক ও খারাপ না হয় তাহলে আপনার ইনকাম হালাল।
কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল তা নির্ধারন করা যায় ওয়েবসাইট কাঠামোর উপর।
আপনার ওয়েবসাইট থেকে যা ইনকাম আসে তা আসলেই হালাল নাকি হারাম আমাদের আর্টিকেলটি
সম্পূর্ণ পরলেই বুঝে যাবেন।
পেজ সুচিপত্রঃ কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল? কিভাবে?
- কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল
- অনলাইনে হালাল ইনকাম কিভাবে করা যায়
- জনপ্রিয় কিছু হালাল ইনকাম সাইট
- ওয়েবসাইট থেকে হালাল ইনকাম উপায়
- ফ্রিল্যান্সিং প্লাটর্ফম থেকে আয় করুন
- ই-কমার্স ব্যবসা করে আয় করুন
- ব্লগিং করে আয় করুন ওয়েবসাইট দিয়ে
- ফেসবুক-ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে আয়
- অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে আয়
- ঘরে বসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল
ইহকাল পরকাল ঠিক রেখে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য হালান ইনকাম করা খুবই জরুরী।কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালালএটি জানাও জুরুরি। হালাল ইনকাম না করে আপনি যদি হারাম ইনকাম করেন তাহলে আপনার ইনকাম অনেক হবে কিন্তু মানসিকভাবে শান্তি পাবেন না আবার ইহকাল পরকাল দুইটাতে অশান্তিতে ভুগবেন। ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির যুগে ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায়।
তবে ওয়েবসাইট থেকেও দুই রকম ভাবে ইনকাম করা যায় একটি হালাল ও আরেকটি হারাম। হালাল ইনকাম যে ওয়েবসাইটটি সত্য ও বৈধ কাজের মাধ্যমে ইনকাম করে থাকে প্রতারণা সুদ ঘুষ হারাম পণ্য সেবায় ইত্যাদি থাকে না এবং শরীয়ত সম্মত নিয়মে আয় করে থাকে সেইসব ওয়েবসাইট কে হালাল ওয়েবসাইট বলে। সকল প্রকার খারাপ কাজ ও অবৈধ ইনকাম থেকে যারা বিরত থাকে তাদের ওয়েবসাইট হালাল।
অনলাইনে হালাল ইনকাম কিভাবে করা যায়
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব চলে এসেছে আমাদের হাতের মুঠোয়। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের জীবনকে যেমন সহজ ও গতিময় করে তুলেছে তেমনি তৈরি করেছে কর্মসংস্থান। এখন ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। তবে অনলাইনে অনেক ভাবে ইনকাম করা যায়। অনলাইন ইনকামের মধ্যে হালাল ও হারাম ইনকাম থাকে। হারাম পথে টাকা আছে অনেক কিন্তু এই হারাম কাজগুলো অনেক রিক্সয়ের হয়। আবার হারাম ইনকাম থেকে জীবনে সুখ আসে না।নিজের কাছে অনেক টাকা থাকলেও অন্তরের সুখ ও অতৃপ্তি থাকে না।
আমাদের বেছে নিতে হবে হালাল ইনকাম। হালাল ইনকাম করার অনলাইনে অনেক সিস্টেম আছে। আপনাকে বুঝতে হবে আপনার জন্য কোনটা হালাল ও কোনটা হারাম। যেমন বিভিন্ন খারাপ ও অনৈতিক প্রচার প্রচারণা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হয়। অবৈধ পণ্য বিক্রি করে এসব সাইট থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। ভালো ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরি করতে হবে এবং মানুষের প্রত্যেক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো নিয়ে ইনকাম করতে হবে।
জনপ্রিয় কিছু হালাল ইনকাম সাইট
ইহকাল পরকাল ও পারিবারিক জীবনে সুখ শান্তি পাওয়ার জন্য হালাল ইনকাম করাটা খুবই জরুরী। হালাল ইনকামের মধ্যে আপনার পারিবারিক শান্তি থাকে ইহকাল পরকাল ঠিক থাকে। ইনকাম যদি একটু কম হয় তারপরও আপনার মনে আলাদা একটা শান্তি থাকে। নিচে জনপ্রিয় কিছু হালাল ইনকাম সাইট নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
- ওয়েবসাইট থেকে হালাল ইনকাম
- ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম থেকে হালাল ইনকাম
- ই-কমার্স ব্যবসা করে হালাল ইনকাম
- ব্লগিং করে হালাল ইনকাম
- ফেসবুক ও ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে হালাল ইনকাম
- অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে আয়
- ঘরে বসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
উপরের বর্ণিত প্রত্যেকটি সাইট আলাদা আলাদা ভাবে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো। ওপরের সবকটি সাইট থেকে কিভাবে হালাল ইনকাম করা যায় তা পর্যায়ক্রমে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। উক্ত পোস্টগুলো পড়লে আপনার হালাল ইনকাম নিয়ে আর কোন সন্দেহ থাকবে না।
ওয়েবসাইট থেকে হালাল ইনকাম উপায়
তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে বিশ্ব এখন আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। তথ্য প্রযুক্তির বিস্তার আমাদের জীবনকে গতিময় ও সহজ স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলেছে। তেমনিভাবে সুযোগ করে দিয়েছে অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে ইনকাম করার। আমরা এখন অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে ইনকাম করতে পারি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ইনকামের সাইট হচ্ছে ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম।
আপনি এখন একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে বিভিন্ন কনটেন্ট লিখে পাবলিশ করে এডসেন্স নিয়ে ইনকাম করতে পারেন। এডসেন্স পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিজিটরের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত মানসম্মত কনটেন্ট পাবলিশ করলেই আপনার একাউন্টে এডসেন্স পেয়ে যাবেন। এডসেন্স মূলত আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন এডভেটাইজ দেখিয়ে থাকে।
এই অ্যাডভার্টাইজ দেখানো থেকে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয়। এডসেন্স পাওয়ার পর আপনি চাইলে এটি হালাল ও হারাম দুই ভাবেই করতে পারেন। হালালভাবে করতে চাইলে এডসেন্স এ বিভিন্ন রকমের খারাপ অ্যাড ও জুয়ার সংশ্লিষ্ট অ্যাড দেখানো থেকে বিরত থাকতে হবে। যে এড গুলো মানসম্মত ও গ্রাহককে দেখালে গ্রাহকের উপকার হবে প্রতারণা থেকে দূরে থাকবে এসব অ্যাড দেখানো উচিত। এইসব এড থেকে আপনার হালাল ইনকাম হবে।
ফ্রিল্যান্সিং প্লাটর্ফম থেকে আয় করুন
ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে আপনি হালাল টাকা রোজগার করতে পারেন। মনে করেন আপনার একটি নির্দিষ্ট দক্ষতা রয়েছে যেমন ডিজাইন লেখালেখি বা কোডিং অথবা বাংলা অনুবাদ ইত্যাদি। এই দক্ষতা গুলো কাজে লাগিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করতে পারবেন। তবে একটা জিনিস সবসময় মাথায় রাখবেন আপনার দক্ষতা দিয়ে আপনাকে বৈধ কাজ করতে হবে। অবৈধ কাজে লিপ্ত হয়ে গেলে আপনার ইনকাম টি আর হালাল থাকবে না।
ই-কমার্স ব্যবসা করে আয় করুন
আমি ধরে নিচ্ছি আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে। এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আপনি ইনকাম করতে চান। ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ইনকামের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে ই-কমার্স ব্যবসা বা অনলাইনে ব্যবসা। ওয়েবসাইটের পাশাপাশি ই-কমার্স ব্যবসা করার জন্য আপনার একটি ফেসবুক পেজ লাগবে। ফেসবুক পেইজে আপনার ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী আপনি বিভিন্ন রকমের বুস্ট পরিচালনা করে থাকবেন। এই বুস্ট দেখে আগ্রহীরা পণ্য বা সেবা ক্রয় করার জন্য আপনার ওয়েব সাইটে আসবে।
ওয়েবসাইট থেকে ক্রয় করলে আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন বা লাভ পাবেন। আবার ওয়েবসাইটের ভিউ থেকে আপনার ইনকাম হবে। তবে ই-কমার্স ব্যবসা দুইভাবে করা যায়। আপনার নিজের যদি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনার সেই প্রতিষ্ঠানে পণ্য বিক্রি করে ইনকাম করতে পারেন। আবার আপনার যদি নিজের কোন প্রতিষ্ঠান না থাকে তাহলে অন্য প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন।
এখানে সর্ত হলো তাদের পণ্য নিয়ে আপনাকে এড চালাতে হবে এড থেকে যতগুলো কাস্টমার পণ্য কিনবে সেই পণ্য থেকে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা কমিশন পাবেন। তবে একটা জিনিস সবসময় মাথায় রাখবেন আপনি যে পণ্যটা বিক্রি করছেন বা প্রচারণা চালাচ্ছেন সেই পণ্যটা আসলে কি হালাল নাকি হারাম। কিছু হালাল পণ্য যেমন ইসলামী বই, পোশাক, হালাল প্রসাধনী, হ্যান্ডমেড পণ্য ইত্যাদি আপনি মার্কেটিং করে বিক্রি করে যেই ইনকাম হবে সেটা হালাল।
ব্লগিং করে আয় করুন ওয়েবসাইট দিয়ে
ওয়েবসাইটের ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি হালাল ইনকাম করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যেসব কনটেন্ট গুলো লিখবেন সে কনটেন্ট গুলো হতে হবে ইসলামিক, শিক্ষামূলক, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি মূলক। যে কনটেন্ট গুলো পড়লে মানুষের উপকার হবে যে কনটেন্ট গুলোর মধ্যে কোন প্রতারণার ফাঁদ নেই যে কনটেন্ট গুলোর মধ্যে অনলাইন জুয়া বা খারাপ কাজ সংশ্লিষ্ট কোন নির্দেশনা নেই। এইসব কনটেন্ট লিখে পাবলিশ করে গুগল থেকে এডসেন্স নিয়ে ইনকাম করতে পারেন। তবে এডসেন্স থেকে যে এড গুলো দেখানো হবে সে এড গুলো যেন হালাল হয়। এক কথায় বৈধ বিজ্ঞাপন দেখাতে হবে।
ফেসবুক-ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে আয়
ঘরে বসে ফেসবুক ও ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে ইনকাম করতে পারেন।ভিডিও ও অডিও দুই ধরনের কনটেন্ট থেকে ইনকাম হয়। আমি ধরে নিচ্ছি আপনার একটু ওয়েবসাইট আছে। এই ওয়েবসাইটে আপনি শিক্ষামূলক পোস্ট লিখে থাকেন। পোস্ট লেখার পাশাপাশি আপনার ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলের সেই পোস্ট সংশ্লিষ্ট ভিডিও বানিয়ে আপলোড দিতে পারেন।
ভিডিওর লিংক আপনার পোষ্টের সাথে এড করে দিবেন যারা পোস্ট করে বুঝতে সমস্যা মনে করবে তারা ভিডিও দেখে ক্লিয়ার হয়ে যাবে।আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এর পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন রকমের শিক্ষামূলক, ইসলামিক, ভ্রমণ, রান্না, স্বাস্থ্য, টিউটোরিয়াল এসব বিষয়ে ভিডিও কনটেন্ট বানিয়ে আপনার ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড দিতে পারেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিউ ও ফলোয়ার থেকে ফেসবুক ও ইউটিউব কোম্পানি আপনাকে টাকা দেয়।
ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে মনিটাইজেশন অন করতে হবে। মনিটাইজেশন অন করা শর্তগুলো অনেক সহজ ইজি। আপনি চাইলে যেভাবে ইনকাম করতে পারেন। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখবেন হারাম কোন গান মিউজিক অশ্লীলতা মিথ্যা প্রচারমূলক ভিডিও বানিয়ে মানুষকে হয়রানি করা যাবে না তাহলে আপনার ইনকাম হারাম হয়ে যাবে।
অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে আয়
আপনি যে বিষয়ের প্রতি দক্ষ সেই বিষয়ের ওপর ভিডিও বানিয়ে অনলাইনে আপলোড করে বা কোর্স আকারে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারে। আমি ধরে নিচ্ছি ডিজিটাল মার্কেটিং এ আপনি অনেক দক্ষ। আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে গুগল এডসেন্স আছে। এখন এই ওয়েবসাইটে আপনি আপনার দক্ষতাকে ভিডিও আকারে বানিয়ে আপলোড করে কোর্স আকারে বিক্রি করে ইনকাম করতে পারেন। অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে থেকে দুইভাবে ইনকাম হয়।
প্রথমটি আপনি যে কোর্স বিক্রি করছেন এই কোর্স থেকে ইনকাম দ্বিতীয়টি আপনার কোর্স কেনার পর আপনার ভিজিটররা যখন ওয়েবসাইটে আসবে বারবার কোর্স সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য নেওয়ার জন্য তখন গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হবে। তবে কোর্স ভিডিওতে সবসময় স্বচ্ছতা ও মানুষের উপকার হয় এরকম টপিক্স রাখবেন। মানুষকে ঠকালে বা আপনার কোর্সে এমন কিছু এড করলে যা মানুষ দেখলে আপনার প্রতি খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয় এরকম কনটেন্ট রাখবেন না। তাহলে আপনার ইনকাম টি হালাল হবে।
ঘরে বসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
এফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য আপনার ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজে প্রচার করে সেখান থেকে বিক্রি হওয়া পণ্যের কমিশন নেওয়া। মনে করেন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণে একটা ভালো ভিজিটর আসে। এখন আপনি অন্য আরেকটি কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কমিশনের মাধ্যমে তাদের পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে প্রচার করে আয় করতে পারেন।
এখন মনে করেন, আপনি একটি কোম্পানির পণ্যের লিঙ্ক আপনার ওয়েবসাইটে দিয়ে রাখছেন এই লিংক থেকে যে মানুষগুলো পণ্য কেনার জন্য আগ্রহী হয়ে সেই ওয়েবসাইটে যাবে এবং পন্য ক্রয় করবে আর এ ক্রয় করার মাধ্যমে আপনি কমিশন পাবেন। তবে সব সময় মাথায় রাখবেন আপনার ওয়েবসাইটে যে লিংক গুলো আপনি শেয়ার করছেন সেই লিংকগুলো যেন অবৈধ, অশ্লীল বা মিথ্যা প্রচারমূলক পণ্য না হয়। তাহলে আপনার ইনকাম টি হালাল হবে।
লেখকের মন্তব্যঃ কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা হালাল?
অনলাইন জগতের ইনকাম সম্পর্কে হালাল ও হারাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আমাদের আর্টিকেলটিতে। তার বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে আমাদের এই আর্টিকেলে। আপনি যদি সম্পূর্ণভাবে আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে হালাল ও হারাম ইনকাম নিয়ে আপনার আর কোন সন্দেহ থাকার কথা না। আর্টিকেলটি আপনার উপকারে এসে থাকলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।


Ronginpata.com সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়।
comment url