পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো?
ডুয়েল কারেন্সি ভিসা কার্ড প্রত্যেকটা ফ্রিল্যান্সার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনার কাজের পেমেন্ট নেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া প্লাটফর্মে কাজের পেমেন্ট দেওয়ার জন্য ডুয়েল কারেন্সি ভিসা ব্যবহার করতে হয়।
কিন্তু, আমাদের সকলের কমন সমস্যা হচ্ছে পাসপোর্ট না থাকা। তাহলে এখন আমরা কিভাবে কাজ করবো বা কিভাবে পেমেন্ট পাবো। পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই আর্টিকেলটিতে।
পেজ সুচিপত্রঃ পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো?
- পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো?
- ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কার্ড কিভাবে করতে হয়
- পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা
- পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড করতে কত টাকা লাগে
- কোন ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ভালো
- কোন ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চার্জ কত
- ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে ব্যবহার করে
- ডুয়েল কারেন্সি/ভিসা কার্ড এর সুবিধা
- ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে কত টাকা রাখতে হয়
- ফ্রিল্যান্সিং করতে কিভাবে ব্যবহার করা যায়
পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো?
বিশেষ করে আমরা যারা ডিলিটাল মার্কেটিং শিখেছি বা শিখতে চাই তাদের জন্য ডুয়েল
কারেন্সি কার্ড অবশ্যই প্রয়োজন। কারণ মার্কেটিং এর সকল কাজ পরিচালনা করা হয়
ডলারের মাধ্যমে যা লেনদেন করার জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ড প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন
হচ্ছে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো?
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাদের কথা মাথায় রেখে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সঠিক
ব্যবস্থাপনার জন্য কিছু ব্যাংক পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে
থাকে। আপনার NID কার্ড দিতে সহজেই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে পাসপোর্ট ছাড়া
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পেয়ে যাবেন। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়েন
তাহলে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবেন তার সকল বিষয়ে
তথ্য পেয়ে যাবেন। চলুন শুরু করা যাক।
আরো পড়ুনঃ কোন ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম হালাল?
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কার্ড কিভাবে করতে হয়
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বা ভিসা কার্ড/মাস্টার কার্ড ব্যবহার করা হয় বাইরের
দেশে পেমেন্ট করার জন্য এবং পেমেন্ট গ্রহণ করার জন্য। আপনি যদি ভিসা বা মাস্টার
কার্ড পারচেজ করতে চান তাহলে অবশ্যই পাসপোর্ট লাগবে। আবার বাংলাদেশের কিছু কিছু
ব্যাংক পাসপোর্ট ছাড়াই বিকল্প ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড দিয়ে থাকে আপনি
চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
এখন একান্তই যদি আপনি মাস্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড চান তাহলে আপনার পরিবারের
যার পাসপোর্ট আছে তার নামে একটি ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড বানিয়ে নিতে
পারেন। ধরেন আপনার পরিবারের কারো পাসপোর্ট নেই তাহলে কি আপনি ভিসা কার্ড পাবেন?
না। বাংলাদেশের সিটি টাচ, ব্র্যাক ব্যাংক আস্থা ও ব্যাংক এশিয়া ভার্চুয়াল
ভিসা বা মাস্টার কার্ড দেয়।
এই কার্ডটি আপনি বাংলাদেশের ভেতরে ব্যবহার করতে পারবেন। এ কার্ডের মাধ্যমে আপনি
চাইলেই ডলার পেমেন্ট করতে পারবেন আবার টাকাতেও পেমেন্ট করতে পারবেন। ব্যাংকের
সাথে যোগাযোগ করে আপনার এনআইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলে কার্ডগুলো নিতে
পারবেন। কার্ড নেওয়ার প্রক্রিয়া খুবই সহজ আপনার এনআইডি বা ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যবহার করে নিতে পারবেন। চলুন বিস্তারিত জেনে নি কিভাবে আপনি এরকম ধরনের কার্ড
বানিয়ে নিবেন। নিচে আলোচনা করা হলো।
পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা
পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বলতে ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড ও মাস্টার
কার্ড কে বোঝানো হয়েছে। ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড হলো একটি ডিজিটাল কার্ড।
ভার্চুয়াল ভিসা কার্ডের ফিজিক্যাল কোন কপি নেই। এটার মাধ্যমে আপনি শুধু
অনলাইনে লেনদেন করতে পারবেন। এটি ব্যবহার করে আপনি বিদেশি ওয়েবসাইটে পেমেন্ট
দিতে পারবেন যেমন facebook- google-netflix-fiver-upwork-canva ইত্যাদি।সিটি
ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, payoneer paid ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড, Bank Asia এই
ব্যাংকগুলো এ ধরনের সার্ভিস বা কার্ড দিয়ে থাকে। কার্ডগুলো নিতে আপনার কি কি
যোগ্যতা লাগবে তা নিচে বর্ণনা করা হলো।
প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে যেতে হবে ব্যাংক থেকে কার্ড নেওয়ার জন্য একটি ফর্ম দেবে
সে ফর্মটি ভালোভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে তারপরে আপনার কার্ড রেডি করার জন্য
কিছু ডকুমেন্টস লাগে যেমন আপনার এনআইডি কার্ড একটি, রঙিন ছবি, সক্রিয় মোবাইল
নম্বর ও ইমেইল, যে ব্যাংক থেকে কার্ড নিবেন সেই ব্যাংকে একটি একাউন্ট করতে হবে
আর একাউন্টে হালকা সামান্য পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে এই মনে করেন ৫০০ মতো।
আপনার কার্ডটি হয়ে গেলে ব্যাংক আপনাকে এসএমএস বা ডাক যোগাযোগে নক করে থাকবেন
তখন আপনি কার্ডটি সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।
পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড করতে কত টাকা লাগে
পাসপোর্ট ছাড়া আপনি ভার্চুয়াল কার্ড এই পরিষেবাটি নিতে পারবেন। ভার্চুয়াল বা
প্রিপেইড কার্ড নেওয়ার জন্য আপনাকে তেমন কিছু ডকুমেন্ট উপস্থিত করতে হবে না।
আপনার এনআইডি কার্ড, একটি রঙিন ছবি, সক্রিয় মোবাইল নম্বর ও ইমেইল, যে ব্যাংক
থেকে কার্ড নিবেন সেই ব্যাংকে একটি একাউন্ট করতে হবে আর একাউন্টে হালকা সামান্য
পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে এই মনে করেন ৫০০ মতো। কার্ডের বার্ষিক চার্জ ২০০-৩০০
টাকা হয়ে থাকে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এক বছরের জন্য আপনি ৭৫০ টাকা খরচ করে একটি
কার্ড বানিয়ে নিতে পারবেন।
কোন ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ভালো
পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি ভার্চুয়াল কার্ড বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক
দিয়ে থাকে। এই ব্যাংকগুলো থেকে কার্ড নিতে চাইলে আপনাকে তাদের ব্যাংকে গিয়ে
যোগাযোগ করে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে ফর্মটি ভালো করে পূরণ করে জমা দিতে হবে
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তখন আপনার পরিচয় পত্র গুলো যাচাই করবে সবকিছু ঠিক থাকলে
আপনার কার্ডটি হয়ে যাবে।
কার্ড নেওয়ার আগে আপনাকে যে ব্যাংক থেকে কার্ড নিবেন ওই ব্যাংকে একটি একাউন্ট
করতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পরে আপনার একাউন্ট একটিভ রাখার জন্য সর্বনিম্ন ৫০০
টাকা জমা রাখতে হবে তাহলে আপনি কার্ডটি পেয়ে যাবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন
ব্যাংক কোন কার্ড দেয় এবং কত টাকা খরচ হয়।
সিটি ব্যাংকঃ
সিটি ব্যাংক মূলত ভিসা ভার্চুয়াল কার্ড অফার করে থাকে। সিটি ব্যাংকের এ কার্ড
দিয়ে আপনি আন্তর্জাতিক সব সাবস্ক্রিপশন কিনতে পারবেন এবং ফেসবুক এড চালাতে
পারবেন খুব সহজে। এ কার্ডটি বানাতে মূলত কয় টাকা লাগবে এ বিষয়টি আপনি সিওর
ভাবে জানতে পারবেন তাদের অফিসে ভিজিট করার পর। আমি আনুমানিক একটা বলে রাখছি ৭০০
টাকার মতো।
ব্র্যাক ব্যাংকঃ
ব্র্যাক ব্যাংক মূলত মাস্টার ভার্চুয়াল কার্ড সার্ভিস দিয়ে থাকে।ব্র্যাক
ব্যাংকের এই কার্ডটি দিয়ে আপনি নেটফ্লিক্স , এড ও অনলাইন টুল পারসেজ করতে
পারবেন খুব সহজে। এটাতে মূলত আরেকটা সুবিধা হচ্ছে সহজ ইন্টারফেস ও ভালো
সার্ভিস। এই কার্ড নিতে আনুমানিক ৭০০ টাকা খরচ করতে পারে।
ব্যাংক এশিয়াঃ
ব্যাংক এশিয়া ভিসা ও মাস্টার কার্ড অফার করে থাকে। ব্যাংক এশিয়ার এই কার্ডটি
বিদেশী ট্রানজেকশন ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অনেক ভালো। এই কার্ডটি নিতে ও ৭০০
থেকে ৭৫০ টাকা লাগবে।
Payoneer :
পেইনিয়ার ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড দিয়ে থাকেন, এটি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য
সেরা। upwork/Fiver ইউজারদের জন্য অপরিহার্য। এই কার্ডটা নেওয়ার জন্য কোনরকম
ফ্রি দিতে হয় না কিন্তু বার্ষিক ফ্রী দিতে হয় ২৯ ডলারের মতো।
ওপরে যেকোনো একটি ব্যাংক থেকে ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড বানিয়ে
নিয়ে আপনি অনলাইন জগতের সব কাজ করতে পারবেন কিন্তু বাইরের দেশে খরচের আগে
অবশ্যই পাসপোর্ট এড করে নিতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ২০০০০ টাকায় সেরা গেমিং ফোন ২০২৫
কোন ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চার্জ কত
বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক পাসপোর্ট ছাড়া ভার্চুয়াল ডুয়েল কারেন্সি কার্ড
প্রদান করে থাকে। এ কার্ডগুলো ব্যবহার করে আপনি অনলাইন জগতের সব কাজ করতে
পারবেন বাংলাদেশে বসে। যে ব্যাংকগুলো এ কার্ডগুলো দিয়ে থাকে যে ব্যাংকের তার
বাৎসরিক চার্জ কত টাকা হয় তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
সিটি ব্যাংকের ভার্চুয়াল কার্ড নিলে প্রত্যেক বছর আপনাকে ১২ ডলার থেকে ১৫
ডলার পে করতে হবে। ব্র্যাক ব্যাংকের দেওয়া ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ডটি
ব্যবহার করলে প্রত্যেক বছর আপনাকে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পেমেন্ট দিতে হবে।
payoneer ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড নিলে প্রত্যেক বছর আপনাকে ৩০ ডলার পে করতে
হবে তবে আপনি যদি নিয়মিত এটি ব্যবহার করেন এবং বছরে ১০০ প্লাস ডলার লেনদেন
করেন তাহলে কোন ফ্রি দিতে হবে না। ব্যাংক এশিয়া থেকে ভার্চুয়াল মাস্টার কার্ড
নিলে প্রত্যেক বছর আপনাকে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ফি দিতে হবে।
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে ব্যবহার করে
ব্যাংক থেকে ভার্চুয়াল ডুয়েল কারেন্সি কার্ডটি পাওয়ার পর প্রথমে কার্ডটি
ব্যাংকের অ্যাপস থেকে একটিভ করতে হবে। তারপরে BDT ও USD এই দুইটি একাউন্টে টাকা
রাখতে হবে। যেকোনো আন্তর্জাতিক সাইডে পেমেন্ট করার সময় আপনার কার্ড নাম্বার,
এক্সপায়ার ডেট, সিভিভি,বিল্ডিং ঠিকানা দিতে হবে। পেমেন্ট করার সময় কারেন্সি
বাছাই করতে হবে যদি ওয়েবসাইট বিডিটি নেন তাহলে বিডিটি একাউন্ট থেকে কেটে যাবে।
আবার যদি ওয়েবসাইট ইউএসডি নেন তাহলে ইউএসডি একাউন্ট থেকে কেটে যাবে।
ডুয়েল কারেন্সি/ভিসা কার্ড এর সুবিধা
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বলতে এখানে দুইটি দেশের মুদ্রা কে বোঝানো হয়েছে। আপনি
যদি বাংলাদেশ থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড করেন তাহলে আপনার কার্ডে বাংলাদেশের
টাকা ও বাইরের দেশের ডলার সাপোর্ট করবে।ডুয়েল কারেন্সি ভিসা বা মাস্টার কার্ড
হচ্ছে এমন একটি কার্ড যা দিয়ে আপনি দেশি ও আন্তর্জাতিক উভয় পেমেন্ট করতে
পারেন।
একই কার্ডে দুইটি অ্যাকাউন্ট এবং কার্ড দুটির কারেন্সি একাউন্টের সাথে লিংক
থাকে বিদেশি ওয়েবসাইটে ইউএসডি কেটে নেয় ও দেশি ওয়েবসাইটের বিডিটি কাটে।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য উপযুক্ত ফাইবার, অফ ওয়ার্ক, পেইনিওর এর ডলার সহজে
ব্যবহারযোগ্য। সাবস্ক্রিপশন ও সফটওয়্যার কেনাকাটা উপযুক্ত।
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড গুলো ভার্চুয়াল ও ফিজিক্যাল দুই ভাবে ব্যবহার করা যায়।
বাইরের দেশে গিয়ে পেমেন্ট করার জন্য বা খরচ করার জন্য ফিজিক্যাল কার্ড
প্রয়োজন হয়।এই কার্ডগুলো আউটসোর্সিং করে ইউটিউবিং করে এবং বিভিন্ন ধরনের
সফটওয়্যার কিনতে চাই যেমন ক্যানভা, নেটফ্লিক্স, চ্যাট জিপিটি ইত্যাদি তাদের
জন্য উপযুক্ত।
ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে কত টাকা রাখতে হয়
ভার্চুয়াল কার্ডে কত টাকা রাখতে হবে সেটি নির্ভর করে আপনি কি কাজ করবেন ও কোন
ব্যাংকের কার্ড নিয়েছেন তার উপর। এখন আপনার প্রশ্নটি হচ্ছে ভার্চুয়াল কার্ড
নিলে প্রথমে কত টাকা রাখতে হয়? আপনি যদি সিটি ব্যাংকের ভার্চুয়াল কার্ড নেন
তাহলে সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা রাখতে হবে usd account থাকলে ১০ থেকে ৫০ ইউএসডি
রাখতে হবে।
তবে সিটি ব্যাংকের আরেকটি সুবিধা আছে ভার্চুয়াল কার্ড তাৎক্ষণিক খুলে ফান্ড
লোড করতে হয় না পরে লোড করা যায়। আপনি চাইলে এটাতে হাজার হাজার টাকা রাখতে
পারবেন কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি অনুযায়ী বছরে ১২ হাজার ডলার খরচ করতে
পারবেন। কার্ডে আপনি আপনার ইচ্ছামত টাকা রাখতে পারেন। এখানে টাকা রাখার কোন
লিমিট নেই কিন্তু সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা রাখা ভালো।
ফ্রিল্যান্সিং করতে কিভাবে ব্যবহার করা যায়
ভার্চুয়াল ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সময় আপনি অনলাইন
পেমেন্ট সাবস্ক্রিপশন ও টুলস কেনার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই কার্ডের
মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক সাবস্ক্রাইবশন পেমেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন। যেহেতু
কার্ড ইউএসডি ও বিডিটি দুইটা একসাথে থাকে তাই আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ইউএসডি কাটে
এবং বাংলাদেশী প্রেমেন্টে বিডিটি কাটে।
সাইবার,আপ-ওয়ার্ক, ফ্রিলেন্সার ডটকম এ পেমেন্ট করার জন্য এই কার্ডটি ব্যবহার
করতে পারেন। যেমন ক্লায়েন্ট এর কাজের জন্য টুলস বা প্রমোশন কিনতে হলে এই কার্ডটি
ব্যবহার করা যায়। ডোমেন হোস্টিং ও ওয়েবসাইট টুল কেনার জন্য এই কার্ডটি ব্যবহার
করা যায়। বাইরের দেশের কোম্পানি থেকে ডোমেইন নেম বা হোস্টিং ক্রয় করার জন্য এই
কার্ডটি অ্যাড করে প্রেমেন্ট করলে ইউএসডিএ তে থাকা ডলার কেটে নেয়।
আবার ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুক এড, গুগল এডের মাধ্যমে ক্লাইন মার্কেটিং করে যেসব এড
চালাতে ভার্চুয়াল কার্ড লাগে। এই কার্ডগুলো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট করা যায় সিকিউর
mobile apps থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ডলার দিয়ে সাবস্ক্রিপশন কেনা যায় রাখা
যায় তাই ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এই কার্ডগুলোর অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুনঃ ওয়ালটন ফ্রিজের দাম কত ২০২৫
লেখকের মন্তব্যঃপাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড
উপরের বর্ণনাতে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবেন তা বিস্তারিত
আলোচনা করা হয়েছে। পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে নিবেন?
কিভাবে টাকা এড করবেন? কিভাবে পেমেন্ট করবেন? কিভাবে অ্যাড চালাবেন? সম্পূর্ণ
বর্ণনা করা হয়েছে এই আর্টিকেলটিতে। আমি আশা করছি আপনি যদি এই আর্টিকেলটি পড়েন
তাহলে পাসপোর্ট ছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড কিভাবে পাবো এই বিষয়ে আর কোন
প্রশ্ন থাকবে না? আর্টিকেলটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।



Ronginpata.com সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়।
comment url