ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কত ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কমিয়েছে কারণ ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা সুদ ভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা সম্পুর্ণ বিপরীত প্রন্থী।  ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং ব্যবস্থা মুনাফা ভিত্তিক একটি পদ্ধতি। এর মুল ভিত্তি গড়ে উঠেছে ইসলামী শরীয়ত মুতাবেক।

ইসলামী-ব্যাংকের-মুনাফার-হার

ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুদকে হারাম করা হয়েছে।ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকের টাকার উপরে ফিক্সড রেট অফ ইন্টারেস্ট দেয়না। চলুন দেখা যাক ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কত করেছে ২০২৫ সালে।

পেজ সূচিপত্রঃ ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কত ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কত ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কমিয়েছেন। ইসলামী ব্যাংক সুদকে সমর্থন করে না। ইসলামী ব্যাংক ইসলামী শরীয়ত অনুসরণ করে চলে। তাদের প্রকাশিত গ্যাজেট অনুযায়ী ২০২৫ সালে মুনাফার হার কমানো হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা মূলত পাঁচটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান সুদবিহীন ব্যাংকিং, মুদারাবা ব্যাংকিং, মুশারাকা ব্যাংকিং, মু রাবাহা ব্যাংকিং, ইজারা ব্যাংকিং। 

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে ঘোষণা করা মেয়াদে মুদারাবার ডিপোজিট স্ক্রিমের হার মাসিক ৬%। তিন মাসের আনুমানিক মুনাফা 2125 টাকা। ছয় মাসের আনুমানিক মুনাফা 4378 টাকা।তাহলে বছর শেষে দাঁড়াচ্ছে ৮৯২৫ টাকা। 

মাসিক প্রফিট দেওয়ার স্ক্রিনঃ

  • ৩ বছর মেয়াদে হার ১১%  
  • ৫ বছর মেয়াদে হার 12%। 
  • সেভিং ডিপোজিট ৩.৫ থেকে ৪.৬০% 
  • ফিক্সড ডিপোজিট ৩-৬ মাস প্রায় ১০% থেকে ১০.১০%
  • ফিক্সড ডিপোজিট ৬-১২ মাস প্রায় ১০.৩০% থেকে ১০.৪৫%
  • ফিক্সড ডিপোজিট ১-২ বছর ২-৩ বছর বা ৩ বছর প্লাস ১০.৫০% থেকে দশ ১১% পর্যন্ত।
  • এফ ডি আর ১মাস ৬% মানে ১ লাখ টাকা রাখলে মাসে ৫০০ টাকা 
  • এম এমডিএস ৩ বছর ১১% মাসিক ৯৮০ টাকা 
  • এম এম ডি এস ৫ বছর ১২% মাসিক ১০০০ টাকা

ইসলামী ব্যংকের সুদবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা কেমন?

বাংলাদেশের যে কয়েকটি সুদবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ইসলামী ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে সুদকে হারাম করা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের সকল ব্যাংকিং সেবা ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক পরিচালনা করা হয়।ইসলামী ব্যাংকে কোন প্রকার সুদ নেওয়া ও দেওয়া হয় না এর পরিবর্তে মুনাফা ভিত্তিক বিনিয়োগ করা হয়। 

এখানে মূলত গ্রাহক ও ব্যাংক অংশীদারের ভিত্তিতে লেনদেন করে থাকে। ইসলামী ব্যাংক শুধুমাত্র হালাল ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বিনিয়োগ করে থাকে। হারাম যেগুলো ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান আছে তাদের প্রতি বিনিয়োগে আগ্রহী নয়। এই ব্যাংকে মূলত চুক্তির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। চুক্তিগুলো হচ্ছে মুদারাবা, মোশারাকা, মুরাবাহা, ইযারা ও সালাম ও ইসতিসনা।

ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ব্যাংকিং ব্যবস্থা কেমন?

শরীয়া ভিত্তিক বিনিয়োগ পদ্ধতিকে মুদারাবা ব্যাংকিং ব্যবস্থা বলা হয় তাই ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার কম বেশি হয়। এটিকে সুদ বিহীন ব্যাংকিং বলা হয় কারণ একপক্ষ অর্থ দেয় এবং অন্যপক্ষ সে অর্থ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে।  এই ব্যাংকিং ব্যবস্থায়  ব্যবসাতে লাভ হলে উভয়ে পূর্ব নির্ধারিত অনুপাতে ভাগ করে নেয়। ব্যবসায় ক্ষতি হলে মূলধনের ক্ষতি শুধু অর্থদাতা বহন করে। 

ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ব্যাংকিং এর সিস্টেম হচ্ছে আপনি যদি ইসলামী ব্যাংকে এক লক্ষ টাকা জমা রাখেন তখন তারা এই টাকাটা বিভিন্ন ধরনের শরীয়ত মোতাবেক কাজে বা ব্যবসায় বিনিয়োগ করে। বিনিয়োগকৃত লাভ কে তারা নির্ধারিত পরিমাণে ভাগ করে(যেমন ৬০/৪০ বা ৭০/৩০)। এই ভাগকৃত অর্থটি বা মুনাফাটি যে অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া হয়েছে ওই একাউন্টে যুক্ত হয়ে যায়। এই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মূলত মুনাফার গ্যারান্টি নেই। যদি লাভ হয় তাহলে মুনাফা পাবেনা আর যদি লস হয় তাহলে মেয়াদ পূর্বে উত্তরণে মুনাফা কমে যেতে পারে। 

ইসলামী ব্যাংকের মুশারাকা ব্যাংকিং ব্যবস্থা

ইসলামী ব্যাংকের মুশারাকা ব্যাংকিং ব্যবস্থা হল সব পক্ষই ব্যবসায় মূলধন বিনিয়োগ করে বিনিয়োগ কৃত অর্থ থেকে উপার্জিত লভ্যাংশ কে তারা পূর্বে নিয়মে ভাগ করে। ইসলামী ব্যাংকের মুশারাকা ব্যাংকিং এর সিস্টেম মূলত হচ্ছে যে আপনি একটা ব্যবসা শুরু করতে চান আপনার মূলধন আছে ১০ লাখ টাকা। এখন ব্যাংক আপনাকে আরো দশ লাখ টাকা দিবে বা বিনিয়োগ করবে। তাহলে আপনার মুলধনের পরিমাণ দাঁড়াই ২০ লক্ষ টাকা। 

এখন ২০ লক্ষ টাকা খাটিয়ে যদি আপনি দুই লক্ষ টাকা লাভ করেন তাহলে এখানে ব্যাংকে দিতে হবে ৫০% আর আপনার থাকবে ৫০%। রইল লসের ব্যাপার। দেখা যাচ্ছে ব্যবসা করতে গিয়ে আপনার লস হয়ে যাচ্ছে তাহলে কি করবেন। এখানে রসের ক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংকের মুশারাকা নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগ কৃত অর্থের ক্ষতি ৫০% ব্যাংক বহন করে এবং ৫০% আপনাকে বহন করতে হবে। 

ইসলামী ব্যাংকের মুরাবাহা ব্যাংকিং ব্যবস্থা

ইসলামী ব্যাংকের মুরাবাহা ব্যাংকিং ব্যবস্থাটি মূলত বিক্রয় ভিত্তিক আর্থিক লেনদেনের পদ্ধতি।যেখানে ব্যাংক একটি পণ্য ক্রয় করে এবং কাস্টমার এর কাছে লাভ সহ কিস্তি মাধ্যমে বিক্রি করে। এই সেবাটি নেওয়ার জন্য গ্রাহককে আগে ব্যাংকের কাছে অনুরোধ করতে হয় পন্য কিনতে চাওয়ার জন্য। তখন ব্যাংক যাচাই-বাছাই করে দেখে পণ্যটি ক্রয় করে তাদের নামে। পণ্য ক্রয় করার পর লাভসহ গ্রাহকের সাথে বসে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিতরণ করে। লাভের অবস্থান ঠিক রেখে ব্যাংক গ্রাহককে পণ্যটি কিস্তিতে বা এক কালিন বিক্রি করে দেয়।  আস্তে আস্তে গ্রাহক কিস্তির মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে থাকে।

ইসলামী ব্যাংকের ইজারা ব্যাংকিং ব্যবস্থা কেমন

ইজারা বলতে বোঝায় লিজিং বা ভাড়াভিত্তিক আর্থিক লেনদেন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মূলত গ্রাহক ব্যাংকের কাছ থেকে কিছু ভাড়া নেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এই নির্দিষ্ট সময় পণ্যটি ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে নির্ধারিত অংকের ভাড়া প্রদান করতে হয়। ইসলামী ব্যাংকের ইজারা অনুযায়ী গ্রাহক, ব্যাংকের কাছে কোন জিনিস নেওয়ার জন্য আবেদন জানাই। তখন ব্যাংক সেটি নিজের নামে কিনে এবং গ্রাহককে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ভাড়া দিয়ে থাকে। নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পর ব্যাংকে উক্ত সম্পদ টি  বুঝিয়ে দিতে হয়।

ইসলামী ব্যাংকিং এর মূলনীতি ও বৈশিষ্ট্য

ইসলামী ব্যাংকের সেবা মূলত সুদবিহীন ন্যায় ভিত্তিক ও শরীয়ত মোতাবেক পরিচারিত একটি ব্যাংকিং সেবা।নৈতিকতার সামাজিক  ন্যায় ও ইসলামের মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি ব্যাংক হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক।ইসলামী ব্যাংক মূলত পাঁচটি রীতির ওপর গঠিত। 
  • ১.সুদকে হারাম হিসেবে গন্য করা হয়েছে এখানে।
  • ২.লাভ ও ক্ষতির অংশীদারত্বের বিরল উদাহরণ।
  • ৩.সকল বিনিয়োগ বাস্তব সম্পদের উপর ভিত্তি করে করা হয়।
  • ৪.হারাম খাতে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকে।
  • ৫.প্রতিটি ইসলামী ব্যাংকে সরিয়া পরামর্শক বোর্ড থাকে যারা সব কার্যক্রম ইসলামে বিধি অনুযায়ী চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে। 
আপনি যদি হালাল ভাবে ব্যাংকিং সেবা নিতে চান তাহলে ইসলামী ব্যাংকে বিকল্প নেই। আপনার হালাল পথে ইনকাম করা টাকা আপনি কখনোই চাইবেন না যে হারাম হয়ে যাক। তাই টাকা রাখার জন্য শরীয়ত মোতাবেক অবশ্যই ইসলামী ব্যাংক অনেক ভালো। 

ইসলামী ব্যাংক ও সুদী ব্যাংকের পার্থক্য

ইসলামী ব্যাংক সুদী ব্যাংকের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। ইসলামী ব্যাংক হালাল ভাবে এবং শরীয়া মোতাবেক তাদের সেবা দিয়ে থাকে। সুদী ব্যাংকগুলো কোন শরিয়া মানে না তারা নির্দিষ্ট নিজের কিছু কাঠামো অনুযায়ী সেবা দিয়ে থাকে। নিচে দুইটি ব্যাংকের পার্থক্য আলোচনা করা হলোঃ

ইসলামী ব্যাংকঃ

ইসলামী ব্যাংক মূলত কোরআন সুন্নাহ ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংক। সুদ সম্পুর্ণ হারাম, মুনাফাভিত্তিক এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি, বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে। ব্যবসা ভিত্তিক সেবা যেমন, মুদারাবা সেবা মোশারাকা ইজারা ইত্যাদি। শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত সম্পদের উপর বিনিয়োগ করে থাকে। এবং এই ব্যাংকগুলো কন্ট্রোল করার জন্য নির্দিষ্ট একটা ইসলামিক বোর্ড থাকে।

সুদী ব্যাংকঃ

সুদী ব্যাংক মূলত প্রচলিত অর্থনীতি ও সুদ ভিত্তিক নিয়মে পরিচালিত। সুদ গ্রহণ ও প্রদান ব্যবসার মূল উপাদান। এই ব্যাংকের কাছে থেকে টাকা নিলে নির্দিষ্ট পরিমাণে সুদ গ্রহণ করে থাকে এতে আপনার লাভ ক্ষতি চাই হোক না কেন। ঋণ ভিত্তিক সেবা দিয়ে থাকে। এখানে তারা কোথায় বিনিয়োগ করছে তা দেখে না আসলে বিষয়টা কি হালাল নাকি হারাম তা বিবেচনা করে না। এসব ব্যাংক পরিচালনার জন্য কোন ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বোর্ড নেই।

ইসলামী ব্যাংক ও সাধারণ ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য

সাধারণ-ব্যাংক-ও-ইসলামী-ব্যাংকের-পার্থক্য
ইসলামী ব্যাংক মূলত কোরআন সুন্নাহ ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংক। সুদ সম্পুর্ণ হারাম, মুনাফাভিত্তিক এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি, বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে। ব্যবসা ভিত্তিক সেবা যেমন, মুদারাবা সেবা মোশারাকা ইজারা ইত্যাদি। শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত সম্পদের উপর বিনিয়োগ করে থাকে। এবং এই ব্যাংকগুলো কন্ট্রোল করার জন্য নির্দিষ্ট একটা ইসলামিক বোর্ড থাকে।এই ব্যাংকে মূলত চুক্তির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। চুক্তিগুলো হচ্ছে মুদারাবা, মোশারাকা, মুরাবাহা, ইযারা ও সালাম ও ইসতিসনা।

সাধারন ব্যাংক গুলো মূলত প্রচলিত অর্থনীতি ও সুদ ভিত্তিক নিয়মে পরিচালিত। সুদ গ্রহণ ও প্রদান ব্যবসার মূল উপাদান। এইসব সাধারন ব্যাংকের কাছে থেকে টাকা নিলে নির্দিষ্ট পরিমাণে সুদ গ্রহণ করে থাকে এতে আপনার লাভ ক্ষতি চাই হোক না কেন সুদ দিতেই হবে। ঋণ ভিত্তিক সেবা দিয়ে থাকে। এখানে তারা কোথায় বিনিয়োগ করছে তা দেখে না আসলে বিষয়টা কি হালাল নাকি হারাম তা বিবেচনা করে না। 

বাংলাদেশের শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক তালিকা

বাংলাদেশের শরীয় ভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা দিন দিন জনপ্রিয়তা লাভ করছে ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের এমন দশটি সম্পূর্ণ শরীয়া ভিত্তিক ব্যাংক রয়েছে।নিচে দশটি ব্যাংকের নাম উল্লেখ করা হলোঃ
  1. ইসলামী ব্যাংক পি এল সি 
  2. আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক 
  3. এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড 
  4. ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 
  5. ইবনে সিনা ইসলামী ব্যাংক 
  6. শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 
  7. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 
  8. ইসলামী টেট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন 
  9. মেক্সিমাম ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 
  10. সোনালী ব্যাংক ইসলামী উইং

লেখকের মন্তব্যঃ ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার

আমার এই আর্টিকেলটিতে ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের পরিষেবার বর্ণনা এবং লেনদেনের মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে।শুধু ইসলামী ব্যাংক নয় ইসলামী ব্যাংক বাদে যেগুলো সাধারন ব্যাংক আছে তাদের নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।সবকিছু বিবেচনা করে আমার মতে ইসলামী ব্যাংকে আপনি যদি বিনিয়োগ করেন বা টাকা রাখেন তাহলে আপনি লাভবান হবেন।কারণ আপনি টাকার বিষয়ে হারাম নামক বস্তু থেকে যদি বাঁচতে পারেন তাহলে আপনারচ ইহকাল ও পরকাল দুইটাই ভালো থাকবে। তাই ইসলামী ব্যাংক ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Ronginpata.com সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়।

comment url